
নিজস্ব প্রতিবেদক | কথা২৪
দেশজুড়ে আলোচিত তথাকথিত “আয়না ঘর” নির্যাতনকাণ্ড, গুম-খুন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেখ খালেদ মামুন–এর নাম আবারও আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ওই সময়ের বিভিন্ন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কথিত “আয়না ঘর” নামে পরিচিত নির্যাতনকেন্দ্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার মধ্যে শেখ খালেদ মামুন অন্যতম। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নির্যাতন, গুম এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর বিষয়।
এছাড়া রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত দুই ঘটনার প্রসঙ্গও নতুন করে সামনে এসেছে—
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–কে সেনা হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ,
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–কে বাসভবন থেকে উচ্ছেদের সময় “মদের বোতল নাটক” নামে পরিচিত ঘটনাটি।
সমালোচকদের দাবি, এসব ঘটনার নেপথ্য পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল, যার মধ্যে শেখ খালেদ মামুনের নাম উঠে আসে। তবে এ বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সাম্প্রতিক আদালত আদেশে শেখ খালেদ মামুন এবং তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, গুম-খুন ও গোপন আটক কেন্দ্রের অভিযোগ নিয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তাদের মতে, “অতীতের অন্ধকার অধ্যায় উন্মোচন না হলে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বলই থেকে যাবে।”
সরকারি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।
কথা২৪ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।